শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, সন্ধ্যা ৭:১৪
শিরোনাম :
বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর! বরিশালের এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

বরিশালে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত

ডেস্ক রিপোর্ট ।।‘ডিমে আছে প্রোটিন-খেতে হবে প্রতিদিন’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে বরিশালে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে শুক্রবার সকাল ১০ বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল এবং ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে নগরীর প্রাণিসম্পদ ভবন থেকে নবগ্রাম রোডে এক র‌্যালী শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

 
বরিশাল প্রাণিসম্পদ আধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব খন্দকার আনোয়ার হোসেন। বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক মো. মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল।
 
আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন আঞ্চলিক প্রাণিরোগ অনুসন্ধান গবেষণাগারের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল আলম। সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডা. মো. নাসির উদ্দীন আহম্মেদ, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা.মো: মোস্তাফিজুর রহমান,বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. আব্দুর রহিম গাজী, বরিশাল বিভাগের আহ্বায়ক মো. ছাদেকুর রহমান সোহেল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি খন্দকার আনোয়ার হোসেন বলেন, আগেকার দিনে ঘরে তেমন কিছু না থাকলে মেহমানদের ডিম খাইয়ে ইজ্জত রক্ষা করা হতো। তখন আমরা একটি ডিম চার ভাগ করে খেয়েছি। এখন প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে দু’এক দিন গরীবরাও ডিম খেতে পায়। আর তা পোল্ট্রি শিল্প বিকাশের কারণেই সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ডিম এখন গরীবের প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস। তাই এর উৎপাদন বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। পাশাপাশি তিনি ডিমের উৎপাদন ব্যয় হ্রাসের ওপরও গুরুত্বারোপ করে বলেন, এটা সম্ভব হলে দেশের সবাই প্রতিদিন ডিমে খেতে পারবে। ফলে পুষ্টির অভাব পূরণ হবে। ফলে আগামী দিনে একটি সুন্দর জাতী হিসেবে আমরা গড়ে উঠতে পারব।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সাল থেকে প্রতিবছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার ‘বিশ্ব ডিম দিবস’ পালন হয়ে আসছে।